1. md.sabbir073@gmail.com : amicritas :
আদালত চত্বর থেকে পালানো আসামি অবশেষে গ্রেপ্তার - Metrolife.press
শুক্রবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৯ অপরাহ্ন

আদালত চত্বর থেকে পালানো আসামি অবশেষে গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • Update Time : বুধবার, ৩ মার্চ, ২০২১
  • ২৭২ Time View

আদালত চত্বরে পুলিশ হেফাজত থেকে পলানো খুন ও ডাকাতিসহ আট মামলার দুধর্ষ আসামি মো. হারুন অর রশিদ ওরফে সুমনকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা লালবাগ বিভাগের (ডিবি) কোতোয়ালি জোনাল টিম।

বুধবার গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এলাকার সোহাগ পল্লী কজ মার্কেট বনের ভেতর একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সে আদালতের সিঁড়ি দিয়ে দ্বিতীয় তলায় ওঠার সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায়। সুমন পুলিশের চোখ ফাঁকি দিতে মোবাইল বা অন্য কোনো ডিভাইস ব্যবহার থেকে বিরত থাকে বলে জানায় ডিবি।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানার একটি ডাকাতি মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে পুলিশ হেফাজত থেকে কৌশলে পালায় হারুন। এ ঘটনায় সারা দেশে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পরে পুলিশ। ফলে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ঢাকা জেলা পুলিশের আট পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

ডিবি লালবাগ বিভাগের কোতোয়ালি জোনাল টিমের টিম লিডার অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (এডিসি) মো. সাইফুর রহমান আজাদ জানান, গত ২৩ ফেব্রুয়ারি একটি ডাকাতি মামলার হাজিরা দিতে এসে পুলিশ হেফাজত থেকে সুকৌশলে হাতকড়া খুলে পালিয়ে যায় হারুন অর রশিদ ওরফে সুমন। সে পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ি হাতকড়া লাগানোর সময়কৌশলে হাতটি বাঁকা করে ঢিলা করে রাখে। পরে প্রিজন ভ্যান থেকে গারদ খানায় নেওয়ার সময় কৌশলে হাতকড়া খুলে ফেলে এবং দায়িত্বরত পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে সে টঙ্গী, এরশাদনগর ও চান্দুরা এলাকায় গা ঢাকা দিয়ে অবস্থান করে। সর্বশেষ গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর এলাকার সোহাগ পল্লী কজ মার্কেট বনের ভিতর একটি পরিত্যক্ত বাড়িতে অবস্থান করে। সেখানে এক সপ্তাহ থাকে সে। এ সময় পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে মোবাইল ফোন বা কোনো ধরনের ডিভাইস ব্যবহার করেনি।তিনিঁ বলেন, আমরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করি। তার বিরুদ্ধে বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, দ্রুত বিচার আইনের মামলা, চুরি ও মাদক মামলা রয়েছে। এ ছাড়া পুলিশ হেফাজত থেকে পালানোর ঘটনায় তার বিরুদ্ধে ডিএমপির কতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার মো. হারুন অর রশিদ ওরফে সুমন ডিবি কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, জেলখানায় অনেক কষ্ট হয়। এ জন্য জেল খানায় বসে প্ল্যান করি কিভাবে বের হওয়া যায়। কোর্টে কবে নেবে সেই অপেক্ষায় ছিলাম। ২৩ ফেব্রুয়ারি আমার ডাকাতি মামলায় কোর্টে হাজিরার দিন ছিল। এর আগের রাতে প্লান করি যেভাবেই হোক কোর্টে নেবার সময় আমি পালাব। তারপর গাড়িতে কোর্টে এসে পুলিশদের দেখাচ্ছিলাম আমি জানালা দিয়ে বাইরে কথা বলতেছি। গাড়ি থেকে আমাদের ১০ জনকে নামানোর পর হ্যান্ডকাপ পরায়। আমার হ্যান্ডকাপ লাগানোর সময় হাত বাঁকা করে রাখছিলাম যাতে হ্যান্ডকাপ ভালো করে না লাগাতে পারে। আমার এক হাতে হ্যান্ডকাপ লাগায়। পরে কোর্টের দুই তলায় ওঠানোর সময় আমি হ্যান্ডকাপ খুলে পালাই।

এ সময় সে কীভাবে হ্যান্ডকাপ খুলেছে তাও দেখায় উপস্থিত সাংবাদিকদের।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Leave a Reply

Your email address will not be published.